দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-এপ্রিল সময়কালে চালের উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ১৮ শতাংশ কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে দেশটিতে মোট চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮০ হাজার টন। এর মধ্যে শুধু জানুয়ারিতেই উৎপাদন হয়েছে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টন। প্রাথমিক এ পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করেই পুরো চার মাসের পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর নেতৃত্বাধীন সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে চাল আমদানি পুরোপুরি বন্ধের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ঘরোয়া চাহিদা মেটাতে এবং শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে দেশী উৎপাদনের ওপরই এখন বেশি নির্ভর করা হচ্ছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদনের এ সামান্য হ্রাস বাজারের ওপর বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। গত বছর দেশটিতে চালের বাম্পার ফলন হওয়ায় পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। এ মজুদ বর্তমানের সামান্য ঘাটতি মেটাতে সহায়ক হবে।